পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্যের কারণে কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধজনিত ক্ষতিপূরণ- এই ছয়টি বিষয়কে কেন্দ্র করে মূল বিরোধ দেখা দেয়।
প্রথমত, লেবাননে হিজবুল্লাহসহ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে তেহরান স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইসরায়েলসহ তৃতীয় পক্ষের বিষয়ে তারা কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না এবং বিষয়টি পৃথক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, জব্দকৃত ইরানি অর্থ ছাড়ের বিষয়ে তেহরান দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানালেও ওয়াশিংটন তা বৃহত্তর চুক্তির অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের শর্তে যুক্ত করার প্রস্তাব দেয়।
তৃতীয়ত, ইরানের অভ্যন্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নেয়। তবে তেহরান এটিকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে।
চতুর্থত, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচির পরিসর সীমিত করার মার্কিন প্রস্তাবও ইরান প্রত্যাখ্যান করে, এটিকে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দেয়।
পঞ্চমত, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তাব দিলেও ইরান এটিকে নিজেদের সার্বভৌম অধিকারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে।
ষষ্ঠত, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের ক্ষতির জন্য কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রস্তাব দেয় ওয়াশিংটন।
সব মিলিয়ে এই ছয়টি মৌলিক বিষয়ে অনড় অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনায় লেবাননে যুদ্ধবিরতি, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধজনিত ক্ষতিপূরণ- এই ছয়টি বিষয়কে কেন্দ্র করে মূল বিরোধ দেখা দেয়।
প্রথমত, লেবাননে হিজবুল্লাহসহ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে তেহরান স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি জানায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইসরায়েলসহ তৃতীয় পক্ষের বিষয়ে তারা কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না এবং বিষয়টি পৃথক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, জব্দকৃত ইরানি অর্থ ছাড়ের বিষয়ে তেহরান দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানালেও ওয়াশিংটন তা বৃহত্তর চুক্তির অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের শর্তে যুক্ত করার প্রস্তাব দেয়।
তৃতীয়ত, ইরানের অভ্যন্তরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নেয়। তবে তেহরান এটিকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে।
চতুর্থত, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচির পরিসর সীমিত করার মার্কিন প্রস্তাবও ইরান প্রত্যাখ্যান করে, এটিকে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দেয়।
পঞ্চমত, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তাব দিলেও ইরান এটিকে নিজেদের সার্বভৌম অধিকারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে।
ষষ্ঠত, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের ক্ষতির জন্য কোনো ধরনের ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। বরং ভবিষ্যৎ দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার প্রস্তাব দেয় ওয়াশিংটন।
সব মিলিয়ে এই ছয়টি মৌলিক বিষয়ে অনড় অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদের আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক